বিশ্বের প্রথম ‘মিম মিউজিয়াম’ কোনটা জানেন? অভিনব নজির গড়লো এই দেশ

অনলাইনের যুগে মিম কতটা জনপ্রিয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ছোট থেকে বড় প্রায় সকলেই মিম পছন্দ করেন। ব্যস্ততার জীবন যাত্রায় হালকা হাসির আমেজ নিয়ে আসতে মিমের জুড়ি মেলা ভার। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় এই মিলগুলি। আর যদি আপনি একজন মিম প্রিয় হয়ে থাকেন তবে 9GAG হিউমার প্ল্যাটফর্ম একেবারে আদর্শ জায়গা।

বর্তমানে মিম এর জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছে ‘মিম মিউজিয়াম‘। আর এই গোটা মিউজিয়াম তৈরি করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়েছে হংকং। হংকং অনলাইন প্লাটফর্মকে আরো এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গিয়ে বিশ্বের প্রথম মিম মিউজিয়াম তৈরি করেছে। যা তাক লাগিয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে।

মিম অর্থাৎ হাস্যকৌতুক এ পরিপূর্ণ ছবি অথবা ভিডিও গুলোকে বলা হয়। আর ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া হাস্যকর ছবি এবং ভিডিওগুলি সংরক্ষিত করে মিউজিয়ামটি তৈরি করা হয়েছে হংকংয়ের কে১১ আর্ট মল-এ। মিউজিয়ামটি তে ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া সেরা মিম ছবি এবং ভিডিওগুলি দেখার সাথে মিমের ইতিহাস সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে দর্শকরা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রথম এই মিউজিয়াম পরিদর্শন এর জন্য কোন প্রবেশ মূল্য ধার্য করা হয়নি অর্থাৎ মিউজিয়ামে প্রবেশের অবাধ অনুমতি রয়েছে।

হংকংয়ের এই অভিনব মিউজিয়ামে এখনো পর্যন্ত ১০০ টিরও বেশি মিম প্রদর্শন করা হয়েছে। মোট সাতটি থিমে বিভক্ত করা হয়েছে এই মিলগুলিকে, যার মধ্যে রয়েছে ট্রোল ফেস, ডিস্ট্রাক্টেড বয়ফ্রেন্ড, অতি জনপ্রিয় ডিজাস্টার গার্ল এবং ডজ। যারা মিম ভালোবাসেন তারা অবশ্যই পাকিস্তানের হতাশ ভক্ত সামীম আক্তার কে চেনেন। ২০১৯ সালের ভাইরাল হওয়া এই ব্যক্তি তার টুইটার হ্যান্ডেলে হংকংয়ের মিউজিয়াম নিয়ে একটি পোস্টও করেছেন। পোস্টটি দেখতে এখানে click করুন।

আরো পড়ুন-বিশ্বের সবচেয়ে বড় নীলা পাথর খোঁজ পাওয়া গেল শ্রীলঙ্কাতে

হংকংয়ের এই আধুনিক মিউজিয়ামটি ইন্টারনেট জগতের বর্তমানে অতি জনপ্রিয় মিম এর ইতিহাস এবং জনপ্রিয়তা সম্পর্কে জ্ঞাত করাবে তার দর্শকদের। কে১১ আর্ট এর ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত মিম গুলির মধ্যে রসিকতা এবং জোকসের সংখ্যায় বেশি। বর্তমানে মানুষ এই মিম গুলির মধ্যে দিয়ে কিভাবে উপভোগ করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষরা কিভাবে সম্প্রদায় বা গোষ্ঠী ভেবে একটি আলাদা আত্মমর্যাদাবোধ তৈরি করে তার মূল প্রতীক হলো এই মিউজিয়ামটি। যার সঙ্গে রয়েছে ইন্টারনেটের আধুনিকতার ছোঁয়া।

Leave a Reply