বৃষ্টিকনাই জানান দেবে এলিয়েনদের অস্তিত্ব, প্রকাশ পেলেও নয়া তত্ত্ব

পৃথিবীর বাইরে যে বিশাল অন্তহীন মহাকাশ, সেই মহাকাশে আমাদেরই মতো ভিনগ্রহের প্রাণী আছে কিনা সেই খোঁজ চলে আসছে অনেক আগে থেকেই। ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েনদের খোঁজ করাটা কিন্তু খুব একটা সহজ কাজ নয়। এই ভিনগ্রহীদের খুঁজে বের করাটা এত কঠিন কারণ এদের অস্তিত্ব আছে কিনা সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। আর তাছাড়াও পৃথিবীর বাইরে যে অন্তহীন মহাকাশ, তার সূচনা বা সমাপ্তি কোথায় সকলেরই অজানা।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে অসম্ভব কোন কাজও খুব সহজেই করে ফেলা সম্ভব হয়। আর গবেষকরা ঠিক এমনই কিছু অসম্ভব কে সম্ভব করার কথা বলেছেন। গবেষকদের মতে আমাদের হাতের নাগালে থাকা বৃষ্টির কনাই বলে দিতে পারবে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব।

আরো পড়ুন-মঙ্গল গ্রহের আকাশে নতুন রেকর্ড গড়লো নাসার ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার

কথাটা অসম্ভব মনে হতেই পারে। তবে এটাই সত্যি। Harvard বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নতুন এক গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তাদের গবেষণা মতে বৃষ্টির ফোঁটা প্রাণের হদিস দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা চুম্বকের আকর্ষণ এর মত কাজ করে। এই বৃষ্টির কনাই বলে দেয় পৃথিবীর সঙ্গে অন্য গ্রহের মিলের কথা। গবেষণায় আরও বলা হয়, পৃথিবীর সাথে বৃহস্পতি গ্রহের বৃষ্টির গুণধর্ম অনেকটাই এক রকমের।

সম্প্রতি প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রের প্রধান Robit Words worth জানিয়েছেন, কোন গ্রহের জলচক্র কে বিশ্লেষণ করাটা সহজ কাজ নয়। তবে বৃষ্টিকণা বা রেইনড্রপস কে বিশ্লেষণ করা তুলনামূলক সহজ। এই বৃষ্টি কণা কে বিভিন্ন ধাপে বিশ্লেষণ করলেই ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া সম্ভব।

তিনি জানান, কোন গ্রহের বৃষ্টি কণা মাটিতে পৌঁছানোর আগেই তা বাষ্পীভূত হচ্ছে কিনা সেটা সবার আগে বিশ্লেষণ করাটা প্রয়োজন। তারপরেই আসবে অন্য ধাপগুলি। তিনি আরো বলেন, আকাশ থেকে ঝরে পড়া বৃষ্টিকণার আকার, অর্থাৎ সেটি ছোট না বড় সেটি বিশ্লেষণ করতে হবে। যদি বৃষ্টি কণা বড় হয় তবে সেই বৃষ্টি কণায় জল, মিথেন না দ্রবীভূত লৌহকনা রয়েছে সেটিকে পরীক্ষা করে দেখতে হবে। আর এভাবেই ধাপে ধাপে বিশ্লেষণ করে যে কোন গ্রহের জলবায়ু ও আবহাওয়া সম্পর্কে একটি মডেল তৈরি করা সম্ভব। আর সেই মডেল থেকেই প্রমাণ পাওয়া যাবে ভিনগ্রহীদের।

Leave a Reply